প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২ :০১

ক্যান্সার কী?

শরীরের কোষগুলো যখন অগণিত ও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন সেই অবস্থাকে ক্যান্সার বলে। শরীরের যেকোন অংশেই ক্যান্সার হতে পারে। কোষ/টিস্যু বা শরীরের যেকোন অংশে ক্যান্সার শুরু হয়ে সেই নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে বা নিকটবর্তী বা শরীরের দূরবর্তী অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। 

সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময় পর বা কোন ধরনের ক্ষতের কারণে সাধারণ কোষসমূহ মারা যায়। একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে এবং মৃত কোষের জায়গায় নতুন কোষের সৃষ্টি হয়। কিন্তু ক্যান্সার হলে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অসংখ্য কোষের সৃষ্টি হতে থাকে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পরে কোষগুলোর মৃত্যু ঘটে না (যা কোষ বৃদ্ধির একটি স্বাভাবিক পদ্ধতি)। 

অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠা এই কোষগুলো জমা হতে থাকে এবং পরবর্তীতে দলা আকৃতির টিস্যু বা টিউমার গঠন করে। কিছু কিছু ক্যান্সার যেমন লিউকেমিয়া, মাল্টিপল মায়েলোমা বা লিম্ফোমা রক্তে হয়ে থাকে। বাকি ক্যান্সারগুলো যেমন স্তন, ফুসফুস, কলোরেক্টাল বা প্রোস্টেট ক্যান্সার টিউমারের মতো হয় এবং এই ক্যান্সারগুলো শরীরের অন্যান্য অংশে হয়ে থাকে। 

সব টিউমারই কিন্তু ক্যান্সারে রূপ নেয় না। যে টিউমারগুলো ক্যান্সারের রূপ নেয় সেগুলোকে বলা হয় ম্যালিগন্যান্ট টিউমার এবং এই ধরনের টিউমারগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। ম্যালিগন্যান্ট টিউমার অপসারণের পরও মাঝে মাঝে কিছু টিউমার পুনরায় দেখা দেয় এবং বিস্তার লাভ শুরু করে। 

যে টিউমারগুলো ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয় না সেগুলোকে বলা হয় বিনাইন টিউমার এবং এগুলো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে না। এই বিনাইন টিউমারগুলো অপসারণের পর সেগুলো আর পুনরায় ফিরে আসে না। এরা ক্যান্সারে রূপান্তরিত হয় না কিন্তু মাঝে মাঝে এগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে। 

 


Fighting Cancer Desk
ফাইটিং ক্যান্সার ডেস্ক